দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নিউইয়র্কে প্রথমবারের মতো আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’ শেষ হয়েছে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে। উৎসবে ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতা হয়েছেন শাকিব খান, ‘দেয়ালের দেশ’-এর জন্য সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন শবনম বুবলী এবং ‘১৯৭১ সেই সব দিন’ চলচ্চিত্রের জন্য সেরা পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন হৃদি হক।
জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে আয়োজিত এ উৎসবের আয়োজন করে প্রিয়জন ফিল্মস ও লেমন স্টুডিও। সহযোগিতায় ছিল আমেরিকান বাংলাদেশি প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন।
প্রথম তিন দিনে বাংলাদেশ ও উত্তর আমেরিকার নির্মাতাদের স্বল্পদৈর্ঘ্য, প্রামাণ্য ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে ছিল রেড কার্পেট, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং পুরস্কার বিতরণী। অনুষ্ঠানে অংশ নেন জায়েদ খান, কাজী মারুফ, ইমন, সজল, বিন্দু ও সংগীতশিল্পী প্রতীক হাসানসহ অনেকে।
উৎসবে আরও যাঁরা পুরস্কৃত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—সেরা পার্শ্ব অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী (‘তুফান’), সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী সানজিদা প্রীতি (‘১৯৭১ সেই সব দিন’), সেরা ওয়েব ফিল্ম ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’ ও এর পরিচালক শিহাব শাহীন, সেরা ওয়েব অভিনেতা মামুনুর ইমন (‘মায়া’) এবং সেরা ওয়েব অভিনেত্রী আফসান আরা বিন্দু (‘উনিশ ২০’)।
এ ছাড়া সেরা শিশুশিল্পী হয়েছেন কাজী আরিশা (‘গ্রীন কার্ড’) ও নৈঋতা হাসিন রৌদ্রময়ী (‘জংলী’)। সেরা গায়ক নির্বাচিত হয়েছেন বালাম (‘প্রিয়তমা’) ও প্রীতম হাসান (‘তুফান’), আর সেরা গায়িকা হয়েছেন অবন্তি সিঁথি (‘সুড়ঙ্গ’)।

কারিগরি বিভাগে ‘১৯৭১ সেই সব দিন’, ‘সুড়ঙ্গ’, ‘প্রহেলিকা’, ‘তুফান’ ও ‘দেয়ালের দেশ’ চলচ্চিত্রের বিভিন্ন নির্মাতা ও কলাকুশলীরা পুরস্কার অর্জন করেন। সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে ‘লস্ট (Lost)’ এবং সেরা প্রামাণ্যচিত্র ‘Songs for a Country (একটি দেশের জন্য গান)’।
বাংলা চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কিংবদন্তি অভিনেতা আহমেদ শরীফকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া বাংলা চলচ্চিত্রের বিকাশে অবদানের জন্য বায়োস্কোপ ফিল্মস, স্টার সিনেপ্লেক্স এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
আয়োজকদের মতে, উৎসবের লক্ষ্য ছিল প্রবাসী নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বাংলা চলচ্চিত্রের সেতুবন্ধন তৈরি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলা সিনেমার অবস্থান আরও শক্তিশালী করা। প্রথম আসরের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আগামী বছর আরও বড় পরিসরে উৎসব আয়োজনের আশা প্রকাশ করেন তারা।
এমএম/